দৈনিক সংবাদের কথা
সর্বশেষ

গলাচিপার সুহরী ব্রিজ বাজারে সরকারি ওয়াবদার রাস্তা দখল করে দোকানঘর নির্মাণের হিড়িক!

গলাচিপার সুহরী ব্রিজ বাজারে সরকারি ওয়াবদার রাস্তা দখল করে দোকানঘর নির্মাণের হিড়িক!মোঃনাসির উদ্দিন বিশেষ প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালী। জনদুর্ভোগ ও সড়ক দুর্ঘটনার আশঙ্কা, দোকানঘর সরিয়ে নেওয়ার আশ্বাস উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারপটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার ২নং গোলখালী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের সুহরী ব্রিজ বাজারসংলগ্ন সরকারি পানি উন্নয়ন বোর্ডের (ওয়াবদা) রাস্তার ওপর দোকানঘর নির্মাণের হিড়িক পড়েছে। রাস্তার বাম পাশে সারিবদ্ধভাবে দোকানঘর উঠানোর কারণে দিন দিন সংকুচিত হয়ে পড়ছে চলাচলের পথ। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন স্থানীয় বাসিন্দা, পথচারী ও যানবাহন চালকরা।স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি রাস্তার ওপর দোকানঘর নির্মাণের ফলে স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল, অটোরিকশা ও অন্যান্য যানবাহন চলাচলের সময় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। তাদের আশঙ্কা, এভাবে রাস্তা দখল অব্যাহত থাকলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, ঝরতে পারে মূল্যবান প্রাণ।এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বললে তাঁরা জানান, সরকারি রাস্তার ওপর দোকানঘর নির্মাণের কারণে সাধারণ মানুষকে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। রাস্তা সংকীর্ণ হয়ে যাওয়ায় চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে এবং সড়ক দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে। তাই জনস্বার্থে দ্রুত এসব অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানান তাঁরা।দোকানমালিক মোঃ ইব্রাহিম আকনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সবার ঘর সরালে আমিও সরাবো।”অপর দোকানমালিক মোঃ আমির হোসেনের স্ত্রী মোসাঃ খাদিজা বেগম বলেন, “আমার স্বামী বাড়িতে এলে তাঁকে বলব, আমরা দোকানঘর সরিয়ে নেব।আরেক দোকানমালিক হাবিব গাজী বলেন, “আমরা কোথায় যাব? সবার ঘর সরালে আমিও সরাবো।এ বিষয়ে গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুজর মোঃ ইজাজুল হক বলেন, “সরকারি রাস্তার ওপর থেকে দোকানঘর সরিয়ে দেওয়া হবে।স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, সরকারি রাস্তা জনগণের চলাচলের জন্য। ব্যক্তিগত স্থাপনার কারণে সাধারণ মানুষের চলাচল বাধাগ্রস্ত হওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়।তাই জননিরাপত্তা, সড়কের শৃঙ্খলা ও সাধারণ মানুষের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা প্রশাসনের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।জনগণের প্রশ্ন,দুর্ঘটনায় কোনো প্রাণহানি ঘটার আগেই কি সরানো হবে এসব স্থাপনা? নাকি আরও কোনো বড় দুর্ঘটনার অপেক্ষায় থাকতে হবে?জনস্বার্থে সরকারি রাস্তা দখলমুক্ত করে নিরাপদ চলাচলের পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সুহরী ব্রিজ বাজার এলাকার ভুক্তভোগী স্থানীয় বাসিন্দারা।
২২ ঘন্টা আগে

বাউফলে খাল থেকে উদ্ধার মরদেহের পরিচয় শনাক্ত, মেয়ের হত্যা মামলা

বাউফলে খাল থেকে উদ্ধার মরদেহের পরিচয় শনাক্ত, মেয়ের হত্যা মামলামোঃ ইমরান হোসাইনবাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিপটুয়াখালীর বাউফলে আলগী খাল থেকে উদ্ধার হওয়া অর্ধগলিত মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করেছে পরিবার। নিহত ব্যক্তি আলম গাজী ওরফে আলম ফকির (৪৭)। তিনি নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে রিপা বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে বাউফল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।রোববার (২৫ অক্টোবর) দিবাগত রাতে মামলাটি দায়ের করা হয়। এর আগে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাউফল পৌর শহরের বাংলাবাজার জামে মসজিদসংলগ্ন আলগী খাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার থেকে নিখোঁজ ছিলেন আলম ফকির। শনিবার রাতে খাল থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খোঁজ নেন। পরে রোববার সকালে কালাইয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়িতে পুলিশের সংগ্রহ করা আলামতের মধ্যে থাকা লুঙ্গি ও টি-শার্ট দেখে মরদেহটি আলম ফকিরের বলে শনাক্ত করেন তাঁরা।নিহতের মেয়ে রিপা বেগম জানান, তাঁর বাবা বিভিন্ন এলাকায় ওরস অনুষ্ঠানে ভাণ্ডারি গান পরিবেশন করতেন। তিনি তিনটি বিয়ে করেছিলেন। তাঁর প্রথম স্ত্রী পিয়ারা বেগম এবং দ্বিতীয় স্ত্রী ও তাঁদের সন্তানদের সঙ্গে তিনি বসবাস করতেন। তবে আলম ফকির তাঁর তৃতীয় স্ত্রী ফারজানার সঙ্গে আলোকি খালসংলগ্ন দাশপাড়া এলাকায় থাকতেন। সেখান থেকেই তিনি নিখোঁজ হন।কালাইয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (আইসি) মনিরুজ্জামান সরদার জানান, মরদেহের পোশাক ও শারীরিক গঠনের বিবরণ মিলিয়ে পরিবারের সদস্যরা পরিচয় নিশ্চিত করেন। মরদেহ পানিতে ডুবিয়ে রাখার উদ্দেশ্যে শরীরের সঙ্গে প্রায় ১৭টি ইটভর্তি একটি প্লাস্টিকের বস্তা বাঁধা ছিল বলে জানান তিনি।তিনি আরও জানান, মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। পরে আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম মরদেহ দাফনের ব্যবস্থা করে। এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার তদন্ত করবে বাউফল থানা পুলিশ।বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, সুরতহাল প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহতের মেয়ে বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেছেন। ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটন এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে তদন্ত চলছে।
২৭ অক্টোবর ২০২৬

লালমোহনের মিরাজ বাঁচতে চান, প্রয়োজন সহযোগিতা

লালমোহনের মিরাজ বাঁচতে চান, প্রয়োজন সহযোগিতামোঃ আরিফুল ইসলাম মুন্সী জেলা প্রতিনিধি: ভোলা একসময় তিন চাকার নছিমন চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন মো. মিরাজ। স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে ছিল তাঁর ছোট্ট সংসার। স্বপ্ন ছিল, সন্তানদের মুখে হাসি ফোটাবেন, পরিবারের অভাব দূর করবেন। কিন্তু একটি ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা মুহূর্তেই বদলে দেয় তাঁর জীবনের গল্প। শরীরের প্রায় চার ভাগের তিন ভাগ প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হয়ে এখন তিনি শয্যাশায়ী। একসময় যাঁর উপার্জনে চলত সংসার, আজ সেই মানুষটিরই দুবেলা দুমুঠো খাবার জোগাড় করা কঠিন হয়ে পড়েছে।ভোলার লালমোহন উপজেলার কালমা ইউনিয়নের চরলক্ষ্মী গ্রামের বাসিন্দা মিরাজ। তাঁর বাবার নাম মো. শফিউল্লাহ। দুর্ঘটনার পর নিজের চিকিৎসা চালাতে গিয়ে বাড়ির ভিটা ছাড়া প্রায় সবকিছুই বিক্রি করে দিয়েছেন বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। তবুও পুরোপুরি সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ মেলেনি। একদিকে শারীরিক যন্ত্রণা, অন্যদিকে সংসারের অভাব—সব মিলিয়ে চরম দুর্দশায় দিন কাটছে তাঁর পরিবারের।মিরাজের সংসারে রয়েছে স্ত্রী ও তিন সন্তান। অভাবের কারণে যেখানে প্রতিদিনের খাবার জোগাড় করাই কঠিন, সেখানে বড় মেয়ের বিয়ে নিয়েও দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে পরিবারের। মেয়ের ভবিষ্যৎ, ছোট সন্তানদের জীবন আর নিজের চিকিৎসা—সবকিছু নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন মিরাজ ও তাঁর স্ত্রী।মিরাজের আকুতি, উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা হলে হয়তো কিছুটা স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ পাবেন তিনি। এ জন্য সরকারের সহযোগিতা এবং প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি। তাঁর প্রত্যাশা, কেউ পাশে দাঁড়ালে আবারও পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর স্বপ্ন দেখতে পারবেন।এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মাসুদ আলম জানান, মিরাজ ইতোমধ্যে সমাজসেবা কার্যালয় থেকে প্রতিবন্ধী ভাতা পাচ্ছেন। চিকিৎসার জন্য আবেদন করলে নিয়ম অনুযায়ী তাঁর কার্যালয় থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত সহায়তা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে জানান তিনি।মিরাজের গল্প শুধু একজন অসুস্থ মানুষের কষ্টের গল্প নয়, এটি একটি পরিবারের বেঁচে থাকার সংগ্রাম। যাঁর হাত ধরে একসময় সংসার চলত, আজ তাঁর চিকিৎসা ও খাবারের ব্যবস্থা করতেই হিমশিম খাচ্ছে পরিবারটি। এখন প্রয়োজন মানবিক সহায়তা, চিকিৎসার সুযোগ এবং সমাজের সামর্থ্যবান মানুষের পাশে দাঁড়ানো।হয়তো একটু সহযোগিতাই বদলে দিতে পারে মিরাজের পরিবারের দিনগুলো। আবারও জাগিয়ে তুলতে পারে বেঁচে থাকার নতুন আশা।
২৫ অক্টোবর ২০২৬
পটুয়াখালীতে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত

পটুয়াখালীতে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত

মোঃ আরিফুজ্জামান তুহিন শরীফ, পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ " দক্ষ যুবক গড়বে দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ" এই প্রতিপাদ্য নিয়ে পটুয়াখালী জাতীয় দিবস- ২০২৬ উপলক্ষেজেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন ও উন্নয়ন অধিদপ্তরের আয়োজনে র‍্যালী, আলোচনা সভা ও যুব ঋণের চেক বিতরণ করা হয়েছে।বুধবার (০১ নভেম্বর) সকাল ১০ টায় দিবসটি  উপলক্ষে জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালী শুরু করে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে শুরুর স্থানে এসে শেষ হয়। র‍্যালী শেষে জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মহসিন উদ্দিন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক চৌধুরী আশরাফুল করিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন সিভিল সার্জন প্রতিনিধি ডা: মোঃ তৌফিকুর রহমান রাকিব, জেলা জামায়েতের আমির এ্যাড. নাজমুল আহসান, জেলা বিএনপির সিনিয়র নেতা সাবেক পৌর মেয়র মোশতাক আহম্মেদ পিনু, জেলা প্রেসক্লাবে সাধারন সম্পাদক মোঃ আরিফ হোসেন,  যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কো-অর্ডিনেটর মো: শফিকুল ইসলাম, উদ্যােক্তার মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন আমির আব্দুল্লাহ বাছির। সভায় চারটি  উদ্যোগক্তা যুব সংস্থা প্রতিনিধির হাতে ৫ লক্ষ টাকার চেক বিতরন করা হয়। #
২২ ঘন্টা আগে
সারাদেশ

সারাদেশ

লালমোহনের মিরাজ বাঁচতে চান, প্রয়োজন সহযোগিতা

লালমোহনের মিরাজ বাঁচতে চান, প্রয়োজন সহযোগিতা

লালমোহনের মিরাজ বাঁচতে চান, প্রয়োজন সহযোগিতামোঃ আরিফুল ইসলাম মুন্সী জেলা প্রতিনিধি: ভোলা একসময় তিন চাকার নছিমন চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন মো. মিরাজ। স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে ছিল তাঁর ছোট্ট সংসার। স্বপ্ন ছিল, সন্তানদের মুখে হাসি ফোটাবেন, পরিবারের অভাব দূর করবেন। কিন্তু একটি ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা মুহূর্তেই বদলে দেয় তাঁর জীবনের গল্প। শরীরের প্রায় চার ভাগের তিন ভাগ প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হয়ে এখন তিনি শয্যাশায়ী। একসময় যাঁর উপার্জনে চলত সংসার, আজ সেই মানুষটিরই দুবেলা দুমুঠো খাবার জোগাড় করা কঠিন হয়ে পড়েছে।ভোলার লালমোহন উপজেলার কালমা ইউনিয়নের চরলক্ষ্মী গ্রামের বাসিন্দা মিরাজ। তাঁর বাবার নাম মো. শফিউল্লাহ। দুর্ঘটনার পর নিজের চিকিৎসা চালাতে গিয়ে বাড়ির ভিটা ছাড়া প্রায় সবকিছুই বিক্রি করে দিয়েছেন বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। তবুও পুরোপুরি সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ মেলেনি। একদিকে শারীরিক যন্ত্রণা, অন্যদিকে সংসারের অভাব—সব মিলিয়ে চরম দুর্দশায় দিন কাটছে তাঁর পরিবারের।মিরাজের সংসারে রয়েছে স্ত্রী ও তিন সন্তান। অভাবের কারণে যেখানে প্রতিদিনের খাবার জোগাড় করাই কঠিন, সেখানে বড় মেয়ের বিয়ে নিয়েও দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে পরিবারের। মেয়ের ভবিষ্যৎ, ছোট সন্তানদের জীবন আর নিজের চিকিৎসা—সবকিছু নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন মিরাজ ও তাঁর স্ত্রী।মিরাজের আকুতি, উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা হলে হয়তো কিছুটা স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ পাবেন তিনি। এ জন্য সরকারের সহযোগিতা এবং প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি। তাঁর প্রত্যাশা, কেউ পাশে দাঁড়ালে আবারও পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর স্বপ্ন দেখতে পারবেন।এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মাসুদ আলম জানান, মিরাজ ইতোমধ্যে সমাজসেবা কার্যালয় থেকে প্রতিবন্ধী ভাতা পাচ্ছেন। চিকিৎসার জন্য আবেদন করলে নিয়ম অনুযায়ী তাঁর কার্যালয় থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত সহায়তা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে জানান তিনি।মিরাজের গল্প শুধু একজন অসুস্থ মানুষের কষ্টের গল্প নয়, এটি একটি পরিবারের বেঁচে থাকার সংগ্রাম। যাঁর হাত ধরে একসময় সংসার চলত, আজ তাঁর চিকিৎসা ও খাবারের ব্যবস্থা করতেই হিমশিম খাচ্ছে পরিবারটি। এখন প্রয়োজন মানবিক সহায়তা, চিকিৎসার সুযোগ এবং সমাজের সামর্থ্যবান মানুষের পাশে দাঁড়ানো।হয়তো একটু সহযোগিতাই বদলে দিতে পারে মিরাজের পরিবারের দিনগুলো। আবারও জাগিয়ে তুলতে পারে বেঁচে থাকার নতুন আশা।
২৫ অক্টোবর ২০২৬
সারাদেশ

সারাদেশ

লালমোহনের মিরাজ বাঁচতে চান, প্রয়োজন সহযোগিতা

লালমোহনের মিরাজ বাঁচতে চান, প্রয়োজন সহযোগিতা

লালমোহনের মিরাজ বাঁচতে চান, প্রয়োজন সহযোগিতামোঃ আরিফুল ইসলাম মুন্সী জেলা প্রতিনিধি: ভোলা একসময় তিন চাকার নছিমন চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন মো. মিরাজ। স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে ছিল তাঁর ছোট্ট সংসার। স্বপ্ন ছিল, সন্তানদের মুখে হাসি ফোটাবেন, পরিবারের অভাব দূর করবেন। কিন্তু একটি ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা মুহূর্তেই বদলে দেয় তাঁর জীবনের গল্প। শরীরের প্রায় চার ভাগের তিন ভাগ প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হয়ে এখন তিনি শয্যাশায়ী। একসময় যাঁর উপার্জনে চলত সংসার, আজ সেই মানুষটিরই দুবেলা দুমুঠো খাবার জোগাড় করা কঠিন হয়ে পড়েছে।ভোলার লালমোহন উপজেলার কালমা ইউনিয়নের চরলক্ষ্মী গ্রামের বাসিন্দা মিরাজ। তাঁর বাবার নাম মো. শফিউল্লাহ। দুর্ঘটনার পর নিজের চিকিৎসা চালাতে গিয়ে বাড়ির ভিটা ছাড়া প্রায় সবকিছুই বিক্রি করে দিয়েছেন বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। তবুও পুরোপুরি সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ মেলেনি। একদিকে শারীরিক যন্ত্রণা, অন্যদিকে সংসারের অভাব—সব মিলিয়ে চরম দুর্দশায় দিন কাটছে তাঁর পরিবারের।মিরাজের সংসারে রয়েছে স্ত্রী ও তিন সন্তান। অভাবের কারণে যেখানে প্রতিদিনের খাবার জোগাড় করাই কঠিন, সেখানে বড় মেয়ের বিয়ে নিয়েও দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে পরিবারের। মেয়ের ভবিষ্যৎ, ছোট সন্তানদের জীবন আর নিজের চিকিৎসা—সবকিছু নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন মিরাজ ও তাঁর স্ত্রী।মিরাজের আকুতি, উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা হলে হয়তো কিছুটা স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ পাবেন তিনি। এ জন্য সরকারের সহযোগিতা এবং প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি। তাঁর প্রত্যাশা, কেউ পাশে দাঁড়ালে আবারও পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর স্বপ্ন দেখতে পারবেন।এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মাসুদ আলম জানান, মিরাজ ইতোমধ্যে সমাজসেবা কার্যালয় থেকে প্রতিবন্ধী ভাতা পাচ্ছেন। চিকিৎসার জন্য আবেদন করলে নিয়ম অনুযায়ী তাঁর কার্যালয় থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত সহায়তা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে জানান তিনি।মিরাজের গল্প শুধু একজন অসুস্থ মানুষের কষ্টের গল্প নয়, এটি একটি পরিবারের বেঁচে থাকার সংগ্রাম। যাঁর হাত ধরে একসময় সংসার চলত, আজ তাঁর চিকিৎসা ও খাবারের ব্যবস্থা করতেই হিমশিম খাচ্ছে পরিবারটি। এখন প্রয়োজন মানবিক সহায়তা, চিকিৎসার সুযোগ এবং সমাজের সামর্থ্যবান মানুষের পাশে দাঁড়ানো।হয়তো একটু সহযোগিতাই বদলে দিতে পারে মিরাজের পরিবারের দিনগুলো। আবারও জাগিয়ে তুলতে পারে বেঁচে থাকার নতুন আশা।
২৫ অক্টোবর ২০২৬
অনলাইন জরিপ

অনলাইন জরিপ

১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ১ জন
সারাদেশ

সারাদেশ

লালমোহনের মিরাজ বাঁচতে চান, প্রয়োজন সহযোগিতা

লালমোহনের মিরাজ বাঁচতে চান, প্রয়োজন সহযোগিতা

লালমোহনের মিরাজ বাঁচতে চান, প্রয়োজন সহযোগিতামোঃ আরিফুল ইসলাম মুন্সী জেলা প্রতিনিধি: ভোলা একসময় তিন চাকার নছিমন চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন মো. মিরাজ। স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে ছিল তাঁর ছোট্ট সংসার। স্বপ্ন ছিল, সন্তানদের মুখে হাসি ফোটাবেন, পরিবারের অভাব দূর করবেন। কিন্তু একটি ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা মুহূর্তেই বদলে দেয় তাঁর জীবনের গল্প। শরীরের প্রায় চার ভাগের তিন ভাগ প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হয়ে এখন তিনি শয্যাশায়ী। একসময় যাঁর উপার্জনে চলত সংসার, আজ সেই মানুষটিরই দুবেলা দুমুঠো খাবার জোগাড় করা কঠিন হয়ে পড়েছে।ভোলার লালমোহন উপজেলার কালমা ইউনিয়নের চরলক্ষ্মী গ্রামের বাসিন্দা মিরাজ। তাঁর বাবার নাম মো. শফিউল্লাহ। দুর্ঘটনার পর নিজের চিকিৎসা চালাতে গিয়ে বাড়ির ভিটা ছাড়া প্রায় সবকিছুই বিক্রি করে দিয়েছেন বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। তবুও পুরোপুরি সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ মেলেনি। একদিকে শারীরিক যন্ত্রণা, অন্যদিকে সংসারের অভাব—সব মিলিয়ে চরম দুর্দশায় দিন কাটছে তাঁর পরিবারের।মিরাজের সংসারে রয়েছে স্ত্রী ও তিন সন্তান। অভাবের কারণে যেখানে প্রতিদিনের খাবার জোগাড় করাই কঠিন, সেখানে বড় মেয়ের বিয়ে নিয়েও দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে পরিবারের। মেয়ের ভবিষ্যৎ, ছোট সন্তানদের জীবন আর নিজের চিকিৎসা—সবকিছু নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন মিরাজ ও তাঁর স্ত্রী।মিরাজের আকুতি, উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা হলে হয়তো কিছুটা স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ পাবেন তিনি। এ জন্য সরকারের সহযোগিতা এবং প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি। তাঁর প্রত্যাশা, কেউ পাশে দাঁড়ালে আবারও পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর স্বপ্ন দেখতে পারবেন।এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মাসুদ আলম জানান, মিরাজ ইতোমধ্যে সমাজসেবা কার্যালয় থেকে প্রতিবন্ধী ভাতা পাচ্ছেন। চিকিৎসার জন্য আবেদন করলে নিয়ম অনুযায়ী তাঁর কার্যালয় থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত সহায়তা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে জানান তিনি।মিরাজের গল্প শুধু একজন অসুস্থ মানুষের কষ্টের গল্প নয়, এটি একটি পরিবারের বেঁচে থাকার সংগ্রাম। যাঁর হাত ধরে একসময় সংসার চলত, আজ তাঁর চিকিৎসা ও খাবারের ব্যবস্থা করতেই হিমশিম খাচ্ছে পরিবারটি। এখন প্রয়োজন মানবিক সহায়তা, চিকিৎসার সুযোগ এবং সমাজের সামর্থ্যবান মানুষের পাশে দাঁড়ানো।হয়তো একটু সহযোগিতাই বদলে দিতে পারে মিরাজের পরিবারের দিনগুলো। আবারও জাগিয়ে তুলতে পারে বেঁচে থাকার নতুন আশা।
২৫ অক্টোবর ২০২৬
ওয়েব স্টোরি

ওয়েব স্টোরি

সারাদেশ

সারাদেশ

লালমোহনের মিরাজ বাঁচতে চান, প্রয়োজন সহযোগিতা

লালমোহনের মিরাজ বাঁচতে চান, প্রয়োজন সহযোগিতা

লালমোহনের মিরাজ বাঁচতে চান, প্রয়োজন সহযোগিতামোঃ আরিফুল ইসলাম মুন্সী জেলা প্রতিনিধি: ভোলা একসময় তিন চাকার নছিমন চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন মো. মিরাজ। স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে ছিল তাঁর ছোট্ট সংসার। স্বপ্ন ছিল, সন্তানদের মুখে হাসি ফোটাবেন, পরিবারের অভাব দূর করবেন। কিন্তু একটি ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা মুহূর্তেই বদলে দেয় তাঁর জীবনের গল্প। শরীরের প্রায় চার ভাগের তিন ভাগ প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হয়ে এখন তিনি শয্যাশায়ী। একসময় যাঁর উপার্জনে চলত সংসার, আজ সেই মানুষটিরই দুবেলা দুমুঠো খাবার জোগাড় করা কঠিন হয়ে পড়েছে।ভোলার লালমোহন উপজেলার কালমা ইউনিয়নের চরলক্ষ্মী গ্রামের বাসিন্দা মিরাজ। তাঁর বাবার নাম মো. শফিউল্লাহ। দুর্ঘটনার পর নিজের চিকিৎসা চালাতে গিয়ে বাড়ির ভিটা ছাড়া প্রায় সবকিছুই বিক্রি করে দিয়েছেন বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। তবুও পুরোপুরি সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ মেলেনি। একদিকে শারীরিক যন্ত্রণা, অন্যদিকে সংসারের অভাব—সব মিলিয়ে চরম দুর্দশায় দিন কাটছে তাঁর পরিবারের।মিরাজের সংসারে রয়েছে স্ত্রী ও তিন সন্তান। অভাবের কারণে যেখানে প্রতিদিনের খাবার জোগাড় করাই কঠিন, সেখানে বড় মেয়ের বিয়ে নিয়েও দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে পরিবারের। মেয়ের ভবিষ্যৎ, ছোট সন্তানদের জীবন আর নিজের চিকিৎসা—সবকিছু নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন মিরাজ ও তাঁর স্ত্রী।মিরাজের আকুতি, উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা হলে হয়তো কিছুটা স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ পাবেন তিনি। এ জন্য সরকারের সহযোগিতা এবং প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি। তাঁর প্রত্যাশা, কেউ পাশে দাঁড়ালে আবারও পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর স্বপ্ন দেখতে পারবেন।এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মাসুদ আলম জানান, মিরাজ ইতোমধ্যে সমাজসেবা কার্যালয় থেকে প্রতিবন্ধী ভাতা পাচ্ছেন। চিকিৎসার জন্য আবেদন করলে নিয়ম অনুযায়ী তাঁর কার্যালয় থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত সহায়তা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে জানান তিনি।মিরাজের গল্প শুধু একজন অসুস্থ মানুষের কষ্টের গল্প নয়, এটি একটি পরিবারের বেঁচে থাকার সংগ্রাম। যাঁর হাত ধরে একসময় সংসার চলত, আজ তাঁর চিকিৎসা ও খাবারের ব্যবস্থা করতেই হিমশিম খাচ্ছে পরিবারটি। এখন প্রয়োজন মানবিক সহায়তা, চিকিৎসার সুযোগ এবং সমাজের সামর্থ্যবান মানুষের পাশে দাঁড়ানো।হয়তো একটু সহযোগিতাই বদলে দিতে পারে মিরাজের পরিবারের দিনগুলো। আবারও জাগিয়ে তুলতে পারে বেঁচে থাকার নতুন আশা।
২৫ ডিসেম্বর ২০২৫
বাউফলে শাশুড়িকে ঘুম পাড়িয়ে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ পুত্রবধূ

বাউফলে শাশুড়িকে ঘুম পাড়িয়ে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ পুত্রবধূ

২৫ ডিসেম্বর ২০২৫
সারাদেশ

সারাদেশ

লালমোহনের মিরাজ বাঁচতে চান, প্রয়োজন সহযোগিতা

লালমোহনের মিরাজ বাঁচতে চান, প্রয়োজন সহযোগিতা

লালমোহনের মিরাজ বাঁচতে চান, প্রয়োজন সহযোগিতামোঃ আরিফুল ইসলাম মুন্সী জেলা প্রতিনিধি: ভোলা একসময় তিন চাকার নছিমন চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন মো. মিরাজ। স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে ছিল তাঁর ছোট্ট সংসার। স্বপ্ন ছিল, সন্তানদের মুখে হাসি ফোটাবেন, পরিবারের অভাব দূর করবেন। কিন্তু একটি ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা মুহূর্তেই বদলে দেয় তাঁর জীবনের গল্প। শরীরের প্রায় চার ভাগের তিন ভাগ প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হয়ে এখন তিনি শয্যাশায়ী। একসময় যাঁর উপার্জনে চলত সংসার, আজ সেই মানুষটিরই দুবেলা দুমুঠো খাবার জোগাড় করা কঠিন হয়ে পড়েছে।ভোলার লালমোহন উপজেলার কালমা ইউনিয়নের চরলক্ষ্মী গ্রামের বাসিন্দা মিরাজ। তাঁর বাবার নাম মো. শফিউল্লাহ। দুর্ঘটনার পর নিজের চিকিৎসা চালাতে গিয়ে বাড়ির ভিটা ছাড়া প্রায় সবকিছুই বিক্রি করে দিয়েছেন বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। তবুও পুরোপুরি সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ মেলেনি। একদিকে শারীরিক যন্ত্রণা, অন্যদিকে সংসারের অভাব—সব মিলিয়ে চরম দুর্দশায় দিন কাটছে তাঁর পরিবারের।মিরাজের সংসারে রয়েছে স্ত্রী ও তিন সন্তান। অভাবের কারণে যেখানে প্রতিদিনের খাবার জোগাড় করাই কঠিন, সেখানে বড় মেয়ের বিয়ে নিয়েও দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে পরিবারের। মেয়ের ভবিষ্যৎ, ছোট সন্তানদের জীবন আর নিজের চিকিৎসা—সবকিছু নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন মিরাজ ও তাঁর স্ত্রী।মিরাজের আকুতি, উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা হলে হয়তো কিছুটা স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ পাবেন তিনি। এ জন্য সরকারের সহযোগিতা এবং প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি। তাঁর প্রত্যাশা, কেউ পাশে দাঁড়ালে আবারও পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর স্বপ্ন দেখতে পারবেন।এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মাসুদ আলম জানান, মিরাজ ইতোমধ্যে সমাজসেবা কার্যালয় থেকে প্রতিবন্ধী ভাতা পাচ্ছেন। চিকিৎসার জন্য আবেদন করলে নিয়ম অনুযায়ী তাঁর কার্যালয় থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত সহায়তা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে জানান তিনি।মিরাজের গল্প শুধু একজন অসুস্থ মানুষের কষ্টের গল্প নয়, এটি একটি পরিবারের বেঁচে থাকার সংগ্রাম। যাঁর হাত ধরে একসময় সংসার চলত, আজ তাঁর চিকিৎসা ও খাবারের ব্যবস্থা করতেই হিমশিম খাচ্ছে পরিবারটি। এখন প্রয়োজন মানবিক সহায়তা, চিকিৎসার সুযোগ এবং সমাজের সামর্থ্যবান মানুষের পাশে দাঁড়ানো।হয়তো একটু সহযোগিতাই বদলে দিতে পারে মিরাজের পরিবারের দিনগুলো। আবারও জাগিয়ে তুলতে পারে বেঁচে থাকার নতুন আশা।
২৫ অক্টোবর ২০২৬
সারাদেশ

সারাদেশ

লালমোহনের মিরাজ বাঁচতে চান, প্রয়োজন সহযোগিতা

লালমোহনের মিরাজ বাঁচতে চান, প্রয়োজন সহযোগিতা

লালমোহনের মিরাজ বাঁচতে চান, প্রয়োজন সহযোগিতামোঃ আরিফুল ইসলাম মুন্সী জেলা প্রতিনিধি: ভোলা একসময় তিন চাকার নছিমন চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন মো. মিরাজ। স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে ছিল তাঁর ছোট্ট সংসার। স্বপ্ন ছিল, সন্তানদের মুখে হাসি ফোটাবেন, পরিবারের অভাব দূর করবেন। কিন্তু একটি ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা মুহূর্তেই বদলে দেয় তাঁর জীবনের গল্প। শরীরের প্রায় চার ভাগের তিন ভাগ প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হয়ে এখন তিনি শয্যাশায়ী। একসময় যাঁর উপার্জনে চলত সংসার, আজ সেই মানুষটিরই দুবেলা দুমুঠো খাবার জোগাড় করা কঠিন হয়ে পড়েছে।ভোলার লালমোহন উপজেলার কালমা ইউনিয়নের চরলক্ষ্মী গ্রামের বাসিন্দা মিরাজ। তাঁর বাবার নাম মো. শফিউল্লাহ। দুর্ঘটনার পর নিজের চিকিৎসা চালাতে গিয়ে বাড়ির ভিটা ছাড়া প্রায় সবকিছুই বিক্রি করে দিয়েছেন বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। তবুও পুরোপুরি সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ মেলেনি। একদিকে শারীরিক যন্ত্রণা, অন্যদিকে সংসারের অভাব—সব মিলিয়ে চরম দুর্দশায় দিন কাটছে তাঁর পরিবারের।মিরাজের সংসারে রয়েছে স্ত্রী ও তিন সন্তান। অভাবের কারণে যেখানে প্রতিদিনের খাবার জোগাড় করাই কঠিন, সেখানে বড় মেয়ের বিয়ে নিয়েও দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে পরিবারের। মেয়ের ভবিষ্যৎ, ছোট সন্তানদের জীবন আর নিজের চিকিৎসা—সবকিছু নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন মিরাজ ও তাঁর স্ত্রী।মিরাজের আকুতি, উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা হলে হয়তো কিছুটা স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ পাবেন তিনি। এ জন্য সরকারের সহযোগিতা এবং প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি। তাঁর প্রত্যাশা, কেউ পাশে দাঁড়ালে আবারও পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর স্বপ্ন দেখতে পারবেন।এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মাসুদ আলম জানান, মিরাজ ইতোমধ্যে সমাজসেবা কার্যালয় থেকে প্রতিবন্ধী ভাতা পাচ্ছেন। চিকিৎসার জন্য আবেদন করলে নিয়ম অনুযায়ী তাঁর কার্যালয় থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত সহায়তা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে জানান তিনি।মিরাজের গল্প শুধু একজন অসুস্থ মানুষের কষ্টের গল্প নয়, এটি একটি পরিবারের বেঁচে থাকার সংগ্রাম। যাঁর হাত ধরে একসময় সংসার চলত, আজ তাঁর চিকিৎসা ও খাবারের ব্যবস্থা করতেই হিমশিম খাচ্ছে পরিবারটি। এখন প্রয়োজন মানবিক সহায়তা, চিকিৎসার সুযোগ এবং সমাজের সামর্থ্যবান মানুষের পাশে দাঁড়ানো।হয়তো একটু সহযোগিতাই বদলে দিতে পারে মিরাজের পরিবারের দিনগুলো। আবারও জাগিয়ে তুলতে পারে বেঁচে থাকার নতুন আশা।
২৫ ডিসেম্বর ২০২৫
সারাদেশ

সারাদেশ

লালমোহনের মিরাজ বাঁচতে চান, প্রয়োজন সহযোগিতা

লালমোহনের মিরাজ বাঁচতে চান, প্রয়োজন সহযোগিতা

লালমোহনের মিরাজ বাঁচতে চান, প্রয়োজন সহযোগিতামোঃ আরিফুল ইসলাম মুন্সী জেলা প্রতিনিধি: ভোলা একসময় তিন চাকার নছিমন চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন মো. মিরাজ। স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে ছিল তাঁর ছোট্ট সংসার। স্বপ্ন ছিল, সন্তানদের মুখে হাসি ফোটাবেন, পরিবারের অভাব দূর করবেন। কিন্তু একটি ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা মুহূর্তেই বদলে দেয় তাঁর জীবনের গল্প। শরীরের প্রায় চার ভাগের তিন ভাগ প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হয়ে এখন তিনি শয্যাশায়ী। একসময় যাঁর উপার্জনে চলত সংসার, আজ সেই মানুষটিরই দুবেলা দুমুঠো খাবার জোগাড় করা কঠিন হয়ে পড়েছে।ভোলার লালমোহন উপজেলার কালমা ইউনিয়নের চরলক্ষ্মী গ্রামের বাসিন্দা মিরাজ। তাঁর বাবার নাম মো. শফিউল্লাহ। দুর্ঘটনার পর নিজের চিকিৎসা চালাতে গিয়ে বাড়ির ভিটা ছাড়া প্রায় সবকিছুই বিক্রি করে দিয়েছেন বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। তবুও পুরোপুরি সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ মেলেনি। একদিকে শারীরিক যন্ত্রণা, অন্যদিকে সংসারের অভাব—সব মিলিয়ে চরম দুর্দশায় দিন কাটছে তাঁর পরিবারের।মিরাজের সংসারে রয়েছে স্ত্রী ও তিন সন্তান। অভাবের কারণে যেখানে প্রতিদিনের খাবার জোগাড় করাই কঠিন, সেখানে বড় মেয়ের বিয়ে নিয়েও দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে পরিবারের। মেয়ের ভবিষ্যৎ, ছোট সন্তানদের জীবন আর নিজের চিকিৎসা—সবকিছু নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন মিরাজ ও তাঁর স্ত্রী।মিরাজের আকুতি, উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা হলে হয়তো কিছুটা স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ পাবেন তিনি। এ জন্য সরকারের সহযোগিতা এবং প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি। তাঁর প্রত্যাশা, কেউ পাশে দাঁড়ালে আবারও পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর স্বপ্ন দেখতে পারবেন।এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মাসুদ আলম জানান, মিরাজ ইতোমধ্যে সমাজসেবা কার্যালয় থেকে প্রতিবন্ধী ভাতা পাচ্ছেন। চিকিৎসার জন্য আবেদন করলে নিয়ম অনুযায়ী তাঁর কার্যালয় থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত সহায়তা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে জানান তিনি।মিরাজের গল্প শুধু একজন অসুস্থ মানুষের কষ্টের গল্প নয়, এটি একটি পরিবারের বেঁচে থাকার সংগ্রাম। যাঁর হাত ধরে একসময় সংসার চলত, আজ তাঁর চিকিৎসা ও খাবারের ব্যবস্থা করতেই হিমশিম খাচ্ছে পরিবারটি। এখন প্রয়োজন মানবিক সহায়তা, চিকিৎসার সুযোগ এবং সমাজের সামর্থ্যবান মানুষের পাশে দাঁড়ানো।হয়তো একটু সহযোগিতাই বদলে দিতে পারে মিরাজের পরিবারের দিনগুলো। আবারও জাগিয়ে তুলতে পারে বেঁচে থাকার নতুন আশা।