দৈনিক সংবাদের কথা

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে সরাইল বিশ্বরোডে বায়ুদূষণের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত।

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে সরাইল বিশ্বরোডে বায়ুদূষণের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত।

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে সরাইল বিশ্বরোডে বায়ুদূষণের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত। 


আব্বাস উদ্দিন:জেলা প্রতিনিধি(ব্রাহ্মণবাড়িয়া)


ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ঢাকা- সিলেট, ঢাকা -ব্রাহ্মনবাড়ীয়া মহাসড়কের সরাইল বিশ্বরোডে (২৯নভেম্বর শনিবার) সকাল ১১ ঘটিকায় বিশ্বরোড় ও পার্শবর্তী এলাকার দোকান মালিক ও কর্মচারী সমিতি, মাইক্রোবাস কর্মচারী ও মালিক সমিতি, সিএনজি চালক সমিতি, রেস্টুরেন্ট মালিক ও কর্মচারী সমিতি, কাপড় ব্যবসায়ী সমিতি, হকার্স সমিতি, আশপাশের গ্রামের বাসিন্দা এবং পথচারীদের উপস্থিতিতে এই বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মোঃ মেহেদী খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সদস্য, জেলা বিএনপির  উপদেষ্টা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২ নির্বাচনী এলাকা  থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী শেখ শামীম। মানববন্ধনে ভুক্তভোগীরা বলেন, রাস্তার সংষ্কার কালীন সময়ে রোডস এন্ড হাইওয়ে র অবহেলার কারণে নিয়মিত পানি না দেওয়ায় এবং দৈনিক কমপক্ষে তিনবার পানির ব্যবস্থা না করায় এলাকায় দৃশ্যমান বায়ুদূষণে জনজীবন বিপন্ন হতে যাচ্ছে। অতিরিক্ত ধুলাবালি, ময়লা আবর্জনায় শ্বাসকষ্ট, বুকব্যথা ,চর্মরোগসহ  বিভিন্ন প্রকার রোগব্যধিতে আক্রান্ত হচ্ছে এলাবাসী। যানবাহনের দ্রুতগতি, হর্ণের বিকট শব্দে যাত্রী পারাপার ও চলাচলের ব্যাঘাত ঘটছে নিত্যনৈমিত্তিক। বিশেষ করে শিশু এবং বয়স্কদের সমস্যা হচ্ছে সবচেয়ে  বেশি। হোটেল মালিকরা  জানান,অতিরিক্ত ধুলাবালির কারণে ব্যবসায় কাস্টমারের অভাবে লোকসান যাচ্ছে। কাপড় ব্যবসায়ীদের খরিদ্দার কমে গেছে, ফলফলাদির উপর ধুলাবালি জমে থাকায় ক্রেতারা আসছেনা।এ বিষয়ে উপজেলা  নির্বাহী অফিসার মোঃ আবু বকর সরকারের সাথে কথা বললে তিনি বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিতে আনবেন বলে ইনকিলাবকে জানান।এবিষয়ে রোডস এন্ড হাইওয়ে প্রকল্প  ব্যবস্থাপক মোঃ মোস্তাক আহমেদ জানান, আমরা ঠিকাদারকে নির্দেশনা দিয়েছি দৈনিক যেন কমপক্ষে ২/৩ বার পানি দেওয়া হয়। শুষ্ক মৌসুমে এর মাত্রা বাড়ানোর ব্যবস্থাও  নেওয়া হয়েছে, এছাড়া আমাদের সাথে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পকেও এবিষয়ে অনুরোধ করা হয়েছে। আশা করছি আর  সমস্যা হবেনা। 

যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট  ভুক্তভোগীসহ  সকলের দাবী দৈনিক কমপক্ষে তিনবার পানি দেওয়া, জনবহুল  বিশ্বরোড় এলাকায় ভারী যানবাহনের গতি ধীর করা এবং হর্নের শব্দ সীমিত করা।

মোঃআব্বাস উদ্দিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া 

২৯/১১/২৫

ছবি  সংযুক্ত।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক সংবাদের কথা

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬


ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে সরাইল বিশ্বরোডে বায়ুদূষণের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত।

প্রকাশের তারিখ : ২৯ নভেম্বর ২০২৫

featured Image
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে সরাইল বিশ্বরোডে বায়ুদূষণের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত। আব্বাস উদ্দিন:জেলা প্রতিনিধি(ব্রাহ্মণবাড়িয়া)ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ঢাকা- সিলেট, ঢাকা -ব্রাহ্মনবাড়ীয়া মহাসড়কের সরাইল বিশ্বরোডে (২৯নভেম্বর শনিবার) সকাল ১১ ঘটিকায় বিশ্বরোড় ও পার্শবর্তী এলাকার দোকান মালিক ও কর্মচারী সমিতি, মাইক্রোবাস কর্মচারী ও মালিক সমিতি, সিএনজি চালক সমিতি, রেস্টুরেন্ট মালিক ও কর্মচারী সমিতি, কাপড় ব্যবসায়ী সমিতি, হকার্স সমিতি, আশপাশের গ্রামের বাসিন্দা এবং পথচারীদের উপস্থিতিতে এই বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মোঃ মেহেদী খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সদস্য, জেলা বিএনপির  উপদেষ্টা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২ নির্বাচনী এলাকা  থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী শেখ শামীম। মানববন্ধনে ভুক্তভোগীরা বলেন, রাস্তার সংষ্কার কালীন সময়ে রোডস এন্ড হাইওয়ে র অবহেলার কারণে নিয়মিত পানি না দেওয়ায় এবং দৈনিক কমপক্ষে তিনবার পানির ব্যবস্থা না করায় এলাকায় দৃশ্যমান বায়ুদূষণে জনজীবন বিপন্ন হতে যাচ্ছে। অতিরিক্ত ধুলাবালি, ময়লা আবর্জনায় শ্বাসকষ্ট, বুকব্যথা ,চর্মরোগসহ  বিভিন্ন প্রকার রোগব্যধিতে আক্রান্ত হচ্ছে এলাবাসী। যানবাহনের দ্রুতগতি, হর্ণের বিকট শব্দে যাত্রী পারাপার ও চলাচলের ব্যাঘাত ঘটছে নিত্যনৈমিত্তিক। বিশেষ করে শিশু এবং বয়স্কদের সমস্যা হচ্ছে সবচেয়ে  বেশি। হোটেল মালিকরা  জানান,অতিরিক্ত ধুলাবালির কারণে ব্যবসায় কাস্টমারের অভাবে লোকসান যাচ্ছে। কাপড় ব্যবসায়ীদের খরিদ্দার কমে গেছে, ফলফলাদির উপর ধুলাবালি জমে থাকায় ক্রেতারা আসছেনা।এ বিষয়ে উপজেলা  নির্বাহী অফিসার মোঃ আবু বকর সরকারের সাথে কথা বললে তিনি বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিতে আনবেন বলে ইনকিলাবকে জানান।এবিষয়ে রোডস এন্ড হাইওয়ে প্রকল্প  ব্যবস্থাপক মোঃ মোস্তাক আহমেদ জানান, আমরা ঠিকাদারকে নির্দেশনা দিয়েছি দৈনিক যেন কমপক্ষে ২/৩ বার পানি দেওয়া হয়। শুষ্ক মৌসুমে এর মাত্রা বাড়ানোর ব্যবস্থাও  নেওয়া হয়েছে, এছাড়া আমাদের সাথে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পকেও এবিষয়ে অনুরোধ করা হয়েছে। আশা করছি আর  সমস্যা হবেনা। যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট  ভুক্তভোগীসহ  সকলের দাবী দৈনিক কমপক্ষে তিনবার পানি দেওয়া, জনবহুল  বিশ্বরোড় এলাকায় ভারী যানবাহনের গতি ধীর করা এবং হর্নের শব্দ সীমিত করা।মোঃআব্বাস উদ্দিনব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৯/১১/২৫ছবি  সংযুক্ত।

দৈনিক সংবাদের কথা

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ আর জে রানা 

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদের কথা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত