দৈনিক সংবাদের কথা

আওয়ামিলীগ ২০০৮ এ সরকার গঠন করেই আমাকে অজপাড়াগাঁয়ে বদলী করে আমার সাথে চরম বৈষম্য করে তাই আমি সরকারি চাকরিটা করতে পারিনি।

আওয়ামিলীগ ২০০৮ এ সরকার গঠন করেই আমাকে অজপাড়াগাঁয়ে বদলী করে আমার সাথে চরম বৈষম্য করে তাই আমি  সরকারি চাকরিটা করতে পারিনি।

আওয়ামিলীগ ২০০৮ এ সরকার গঠন করেই আমাকে অজপাড়াগাঁয়ে বদলী করে আমার সাথে চরম বৈষম্য করে তাই আমি  সরকারি চাকরিটা করতে পারিনি। 


মো. সাইদুল ইসলাম 

নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি 


   আমি চেষ্টা করেছি নেত্রকোনা-২ আসন সহ সারা নেত্রকোনা জেলার নেতাকর্মীদের পাশে থাকার জন্য।আমি ফ্যাসিস্ট বিরোধী সকল রাজনৈতিক কার্যক্রমে সরাসরি অংশ নিয়েছি।আমি নেতাকর্মীদের জেলে খোঁজ খবর নেওয়ার চেষ্টা করেছি।আমাকে নেত্রকোনা-২ আসন থেকে ধানের শীষের নমিনি করা হয়েছে।মানুষ ভুলের উর্ধ্বে নয়।মানুষ মাত্রই ভুল হয়।আমি নিজের ভুল ত্রুটির বাহিরে নয়।সকল ভুল ত্রুটি ক্ষমা করে আমাকে মূল্যায়ন করবেন।আমি সবার পাশে থাকার চেষ্টা করব।আজ ১১ ডিসেম্বর বারহাট্টা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময় করার সময় তিনি এসব কথা বলেন।তিনি আরো বলেন আমি মেডিক্যাল কলেজে পড়ার সময়ই ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলাম।পরবর্তীতে সরকারি চাকরিতে যাই।২০০৮ সালে ফ্যাসিস্ট সরকার গঠন করার মাত্র ৩ দিন পরে আমাকে অজপাড়াগাঁয়ে বদলি করা  হয়।আমার মেডিক্যাল অফিসারদের সিভিল সার্জন করা হয়।কিন্তুু আমাকে অবহেলা  করা হয়।তাই আমি সরকারি চাকরিটা আর করিনি।আমি ২০১৪ সাল থেকে জেলা বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। আমি নেত্রকোনা জেলার মানুষের পাশে আছি,পরেও থাকব।এসময় তিনি ফ্যাসিস্ট আমলে সাংবাদিকদের নানান হয়রানি মূলক আইনের বিষয় তুলে ধরেণ।নেত্রকোনা জেলার সাংবাদিকদেরা ব্যক্তি স্বাধীনতায় যেকোন নিউজ করাতে পারবে বলোও আশ্বাস দেন।


এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি আক্কাস আলী, উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি আরিফুল্লাহ সোহেল,উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিক আহমেদ কমল, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মানিক আজাদ, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি অনিক মাহবুব চৌধুরী, বারহাট্টা প্রেসক্লাবের সভাপতি শামস উদ্দিন আহমেদ বাবুল, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক ফারুক সহ বারহাট্টা প্রেসক্লাবের সকল সাংবাদিকবৃন্দ,উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা সহ প্রমুখ।


আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক সংবাদের কথা

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬


আওয়ামিলীগ ২০০৮ এ সরকার গঠন করেই আমাকে অজপাড়াগাঁয়ে বদলী করে আমার সাথে চরম বৈষম্য করে তাই আমি সরকারি চাকরিটা করতে পারিনি।

প্রকাশের তারিখ : ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image
আওয়ামিলীগ ২০০৮ এ সরকার গঠন করেই আমাকে অজপাড়াগাঁয়ে বদলী করে আমার সাথে চরম বৈষম্য করে তাই আমি  সরকারি চাকরিটা করতে পারিনি। মো. সাইদুল ইসলাম নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি    আমি চেষ্টা করেছি নেত্রকোনা-২ আসন সহ সারা নেত্রকোনা জেলার নেতাকর্মীদের পাশে থাকার জন্য।আমি ফ্যাসিস্ট বিরোধী সকল রাজনৈতিক কার্যক্রমে সরাসরি অংশ নিয়েছি।আমি নেতাকর্মীদের জেলে খোঁজ খবর নেওয়ার চেষ্টা করেছি।আমাকে নেত্রকোনা-২ আসন থেকে ধানের শীষের নমিনি করা হয়েছে।মানুষ ভুলের উর্ধ্বে নয়।মানুষ মাত্রই ভুল হয়।আমি নিজের ভুল ত্রুটির বাহিরে নয়।সকল ভুল ত্রুটি ক্ষমা করে আমাকে মূল্যায়ন করবেন।আমি সবার পাশে থাকার চেষ্টা করব।আজ ১১ ডিসেম্বর বারহাট্টা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময় করার সময় তিনি এসব কথা বলেন।তিনি আরো বলেন আমি মেডিক্যাল কলেজে পড়ার সময়ই ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলাম।পরবর্তীতে সরকারি চাকরিতে যাই।২০০৮ সালে ফ্যাসিস্ট সরকার গঠন করার মাত্র ৩ দিন পরে আমাকে অজপাড়াগাঁয়ে বদলি করা  হয়।আমার মেডিক্যাল অফিসারদের সিভিল সার্জন করা হয়।কিন্তুু আমাকে অবহেলা  করা হয়।তাই আমি সরকারি চাকরিটা আর করিনি।আমি ২০১৪ সাল থেকে জেলা বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। আমি নেত্রকোনা জেলার মানুষের পাশে আছি,পরেও থাকব।এসময় তিনি ফ্যাসিস্ট আমলে সাংবাদিকদের নানান হয়রানি মূলক আইনের বিষয় তুলে ধরেণ।নেত্রকোনা জেলার সাংবাদিকদেরা ব্যক্তি স্বাধীনতায় যেকোন নিউজ করাতে পারবে বলোও আশ্বাস দেন।এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি আক্কাস আলী, উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি আরিফুল্লাহ সোহেল,উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিক আহমেদ কমল, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মানিক আজাদ, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি অনিক মাহবুব চৌধুরী, বারহাট্টা প্রেসক্লাবের সভাপতি শামস উদ্দিন আহমেদ বাবুল, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক ফারুক সহ বারহাট্টা প্রেসক্লাবের সকল সাংবাদিকবৃন্দ,উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা সহ প্রমুখ।

দৈনিক সংবাদের কথা

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ আর জে রানা 

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদের কথা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত