দৈনিক সংবাদের কথা

‎হরিপুরে বর্ণিল আয়োজনে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত

‎হরিপুরে বর্ণিল আয়োজনে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত

‎

‎হরিপুরে বর্ণিল আয়োজনে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত

‎

সিরাজুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি; 

‎ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে সূর্যোদয়ের স্থানীয় সময় ৬:৪৬ মিনিটে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সূচনা হয়। জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ, দোআ মাহফিল, বিজয় র‍্যালি,ও সকাল ৯:৩০ মিনিটে হরিপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে পবিত্র কোরআন, গীতা পাঠ, বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়েই মহান বিজয় দিবসের শুভ সূচনা উদ্বোধন করেন হরিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রায়হানুল   ইসলাম। 

‎এ সময়  উপস্থিত ছিলেন  হরিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)মো.আব্দুল হাকিম আজাদ,অফিসার ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) মো. শরিফুল ইসলাম শরিফ, সহকারী কমিশনার (ভুমি)  উজ্জ্বল  বাইন,উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা.মো. সোহাগ রানা,উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সৈয়দ শাহিনুর ইসলাম, হরিপুর উপজেলা বিএনপি সভাপতি জামাল উদ্দীন, সাধারণ সম্পাদক আবু তাহেরসহ বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

‎আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রমিজ উদ্দিন আহমেদ,গণধিকার পরিষদের সভাপতি মোজাক্কের ইসলাম সুমন,উপজেলা মডেল মসজিদের ইমাম মুফতি মাওলানা মঈনুদ্দীন আল মাদানী,ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র লিডার মো.জয়নুল, সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, কর্মচারী, বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীগণ।

‎মঙ্গলবার(১৬ ডিসেম্বর) সকাল ১০:০০ টা থেকে শুরু হয় জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে সম্মিলিত সামরিক কুচকাওয়াজ, পুরষ্কার বিতরণী,  বিকালে থাকছে ফুটবল খেলা,  সন্ধ্যার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বিজয় মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ১৬ ডিসেম্বর হতে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে।

‎    

‎  ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর, আমাদের দেশ স্বাধীনতা লাভ করে।  এই দিনে, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়েছিল, এবং এর মাধ্যমেই স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়।  

‎    

‎  ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর দিনটি বাঙালি জাতির জীবনে মহত্তম ও অবিস্মরণীয় একটি দিন। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের পর এই দিনেই অর্জিত হয় চূড়ান্ত বিজয় এবং বিশ্বের মানচিত্রে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।

‎১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালের এই দিনে তৎকালীন ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (যা বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজী বাংলাদেশ ও ভারতের সামরিক জোট 'যৌথ কমান্ড' (মিত্রবাহিনী) এর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করেন।

‎​আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর: মিত্রবাহিনীর পক্ষে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা আত্মসমর্পণের দলিলটি গ্রহণ করেন। এই দলিলে স্বাক্ষরের মাধ্যমেই সমাপ্তি ঘটে সুদীর্ঘ ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধের।

‎​স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম: এই আত্মসমর্পণের ফলস্বরূপ, পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

‎​বিজয় ও স্বাধীনতার এটি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে বাঙালি জাতির গৌরবময় বিজয় এবং স্বাধীনতা অর্জনের দিন।

‎প্রতি বছর এই দিনটিকে বাংলাদেশে 'মহান বিজয় দিবস' হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা হয়। এটি সরকারি ছুটির দিন।

‎​এই দিন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং ৩০ লাখ শহীদ ও ২ লাখ মা-বোনের আত্মত্যাগকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রায়হানুল ইসলাম ।

‎​এই বিজয় অর্জিত হয়েছিল অসংখ্য মানুষের চরম ত্যাগ, দীর্ঘ সংগ্রাম এবং রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক সংবাদের কথা

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


‎হরিপুরে বর্ণিল আয়োজনে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত

প্রকাশের তারিখ : ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image
‎‎হরিপুরে বর্ণিল আয়োজনে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত‎সিরাজুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি; ‎ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে সূর্যোদয়ের স্থানীয় সময় ৬:৪৬ মিনিটে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সূচনা হয়। জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ, দোআ মাহফিল, বিজয় র‍্যালি,ও সকাল ৯:৩০ মিনিটে হরিপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে পবিত্র কোরআন, গীতা পাঠ, বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়েই মহান বিজয় দিবসের শুভ সূচনা উদ্বোধন করেন হরিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রায়হানুল   ইসলাম। ‎এ সময়  উপস্থিত ছিলেন  হরিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)মো.আব্দুল হাকিম আজাদ,অফিসার ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) মো. শরিফুল ইসলাম শরিফ, সহকারী কমিশনার (ভুমি)  উজ্জ্বল  বাইন,উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা.মো. সোহাগ রানা,উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সৈয়দ শাহিনুর ইসলাম, হরিপুর উপজেলা বিএনপি সভাপতি জামাল উদ্দীন, সাধারণ সম্পাদক আবু তাহেরসহ বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।‎আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রমিজ উদ্দিন আহমেদ,গণধিকার পরিষদের সভাপতি মোজাক্কের ইসলাম সুমন,উপজেলা মডেল মসজিদের ইমাম মুফতি মাওলানা মঈনুদ্দীন আল মাদানী,ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র লিডার মো.জয়নুল, সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, কর্মচারী, বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীগণ।‎মঙ্গলবার(১৬ ডিসেম্বর) সকাল ১০:০০ টা থেকে শুরু হয় জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে সম্মিলিত সামরিক কুচকাওয়াজ, পুরষ্কার বিতরণী,  বিকালে থাকছে ফুটবল খেলা,  সন্ধ্যার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বিজয় মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ১৬ ডিসেম্বর হতে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে।‎    ‎  ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর, আমাদের দেশ স্বাধীনতা লাভ করে।  এই দিনে, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়েছিল, এবং এর মাধ্যমেই স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়।  ‎    ‎  ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর দিনটি বাঙালি জাতির জীবনে মহত্তম ও অবিস্মরণীয় একটি দিন। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের পর এই দিনেই অর্জিত হয় চূড়ান্ত বিজয় এবং বিশ্বের মানচিত্রে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।‎১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালের এই দিনে তৎকালীন ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (যা বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজী বাংলাদেশ ও ভারতের সামরিক জোট 'যৌথ কমান্ড' (মিত্রবাহিনী) এর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করেন।‎​আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর: মিত্রবাহিনীর পক্ষে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা আত্মসমর্পণের দলিলটি গ্রহণ করেন। এই দলিলে স্বাক্ষরের মাধ্যমেই সমাপ্তি ঘটে সুদীর্ঘ ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধের।‎​স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম: এই আত্মসমর্পণের ফলস্বরূপ, পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।‎​বিজয় ও স্বাধীনতার এটি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে বাঙালি জাতির গৌরবময় বিজয় এবং স্বাধীনতা অর্জনের দিন।‎প্রতি বছর এই দিনটিকে বাংলাদেশে 'মহান বিজয় দিবস' হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা হয়। এটি সরকারি ছুটির দিন।‎​এই দিন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং ৩০ লাখ শহীদ ও ২ লাখ মা-বোনের আত্মত্যাগকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রায়হানুল ইসলাম ।‎​এই বিজয় অর্জিত হয়েছিল অসংখ্য মানুষের চরম ত্যাগ, দীর্ঘ সংগ্রাম এবং রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে

দৈনিক সংবাদের কথা

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ আর জে রানা 

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদের কথা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত